Image default
স্বাস্থ্য

ভিটামিন ‘এ ‘ এর উৎস : কোন কোন খাবারে পাওয়া যায়

ভিটামিন ‘এ ‘ রাতকানা রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ এবং চুল পড়া বন্ধ করে । তাছাড়া ভিটামিন ’এ ’ আমাদের শরীরের গ্রোথ, প্রজনন স্বাস্থ্য এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে । কোন কোন খাবার থেকে আমরা সহজেই ভিটামিন ‘এ ‘ পেতে পারি তা জানার চেষ্টা করবো ।

 

কোন কোন খাবারে বেশী ভিটামিন ‘এ ‘ পাওয়া যায় :

১ । গাজর :

একজন মানুষের শরীরে দৈনিক যতটুকু ভিটামিন ‘এ ’ প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক বেশী ভিটামিন ‘এ ’ থাকে একটি গাজরে । একজন মানুষের শরীরে যেখানে দৈনিক ৫ হাজার আইইউ ( ইন্টারন্যাশনাল উইনিট ) ভিটামিন ‘এ ’ প্রয়োজন সেখানে একটি বড় সাইজের গাজরে ১২ হাজার আইইউ ভিটামিন ‘এ ’ থাকে ।

gajor.jpg
গাজর ভিটামিন ‘এ‘ এর অন্যতম উৎস , ছবি-সংগ্রহীত

 

২ । মিষ্টি কুমড়া :

ভিটামিন ‘এ ‘ সবচেয়ে বড় উৎস মিষ্টি কুমড়া । দৈনিক মাত্র ১০০ গ্রাম মিষ্টি কুমড়া খাবার মেন্যুতে রাখলে শরীরের ১৭০ ভাগ ভিটামিন ‘এ ‘ এর চাহিদা পুরণ করা সম্ভব । ভিটামিন ‘এ ‘ এর পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন সি ।

৩ । মিষ্টি আলু :

একটি মাঝারি সাইজের মিষ্টি আলু দিয়েই ৪৩৮ শতাংশ ভিটামিন ‘এ ‘ এর চাহিদা পুরণ করা যায় । ভিটামিন ‘এ ‘ ছাড়াও মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে পটাসিয়াম, ভিটামিন সি ও বিটা –ক্যারোটিন । বিটা –ক্যারোটিন শরীরের বলিরেখা দুর করে এবং রক্ত পরিশোধণ করে ।

৪ । কলিজা :

সব ধরনের কলিজায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ ‘ । মাত্র ১০০ গ্রাম কলিজা দিয়ে একদিনের ভিটামিন ‘এ ‘ এর চাহিদা পুরণ করা যায় । কলিজায় ভিটামিন ‘এ ‘ এর পাশাপাশি প্রচুর আয়রন থাকে ।

আরো পড়ুন

কোন কোন খাবারে আয়রন পাওয়া যায় : শরীরে আয়রনের প্রয়োজনীয়তা
৫ । টমেটো :

শীতকালিন সবজি  ‘টমেটো ‘ পছন্দ করেন না এমন মানুষ কমই আছেন । এই টমেটো নিয়মিত খেলে আপনার শরীরে ভিটামিন ‘এ ‘ এর ঘাটতি হওয়ার কথা না ।

Vitamin-A1.jpg
ভিটামিন ‘এ‘ সমৃদ্ধ সবজি , ছবি-সংগ্রহীত

 

৬ । শাক – সবজি :

অধিকাংশ শাক – সবজি বিশেষ করে সবুজ শাক – সবজিতে পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘এ ‘ পাওয়া যায় ।

৭ । ডিম :

প্রতিদিন অন্তত একটি করে ডিম খেলে ভিটামিন ‘এ ‘ সহ সব ধরনের ভিটামিনের চাহিদা পুরণ হয় । ডিমে সব ধরনের ভিটামিনের পাশাপাশি রয়েছে আয়রন এবং উপকারি ফ্যাট ।

 

রাতকানা রোগ সহ সবধরনের ভিটামিন ‘এ ‘ ঘাটতি জনিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে, উপরে বর্ণিত খাবারগুলো বেশি বেশি খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত । নিজে ভিটামিন ‘এ ‘ যুক্ত খাবার খাওয়া এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের উৎসাহিত করা, বিশেষ করে বাচ্চাদের গ্রোথ ঠিক রাখার জন্য বেশি বেশি ভিটামিন ‘এ ‘ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানো উচিত ।
আরো পড়ুন

ভিটামিন ডি ঘাটতিজনিত লক্ষণ : ভিটামিন ডি এর উৎস

Related posts

ইকোকার্ডিওগ্রাফি কি : কেন করা হয়

jibondharaa

ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ সমূহ, ঝুঁকি বেশি যাদের

jibondharaa

কিডনি রুগি কি খাবেন ।। কি খাবেন না

jibondharaa

Leave a Comment